NATIONAL GARMENT WORKERS FEDERATION (NGWF)


গার্মেন্টস শ্রমিকদের শ্রম মন্ত্রনালয় ঘেরাও ও স্বারকলিপি পেশ

গার্মেন্টস শ্রমিকদের শ্রম মন্ত্রনালয় ঘেরাও ও স্বারকলিপি পেশ

গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরী বোর্ড গঠনের দাবীতে
গার্মেন্টস শ্রমিক মানববন্ধন, শ্রম মন্ত্রনালয় ঘেরাও ও স্বারকলিপি পেশ

জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যেগে আজ ৩০ নভেম্বর, ২০২২ বুধবার, সকাল- ১১.৩০ টায় জাতীয় প্রেস-ক্লাবের সামনে গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ হিসাবে অবিলম্বে মজুরী বোর্ড ঘোষনার দাবীতে গার্মেন্টস শ্রমিক মানববন্ধন, শ্রম মন্ত্রনালয় ঘেরাও ও শ্রম মন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি পেশ করা হয়।

মানববন্ধন, ঘেরাও কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন ঃ জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি জনাব আমিরুল হক্ আমিন। বক্তব রাখেন : ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ফারুক খাঁন, সাফিয়া পারভীন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, যুগ্ন সম্পাদক কবির, কোষাধ্যক্ষ নাসিমা আক্তার প্রমূখ।


সংহতি জানান : জনাব ফজলে হোসেন বাদশা এম.পি, (সাধারণ সম্পাদক-বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি), মোস্তফা লুৎফুল্লা এম.পি (সদস্য-পলিট ব্যুরো, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি), শামসুন নাহার ভূঁইয়া এম.পি (সদস্য-শ্রম মন্ত্রনালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটি)।
বক্তব্য রাখেন ঃ চৌধুরী আসিকুল আলম যুগ্ম-সমন্বয়ক শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ), রাশেদুল আলম রাজু সাধারণ সম্পাদক ইন্ডাস্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল (আইবিসি), কামরুল হাসান সাধারণ সম্পাদক একতা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, গার্মেন্টস শ্রমিকদের সর্বশেষ মজুরী ঘোষনা করা হয়েছিল ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে। দ্রব্যমুল্যের আকাশ চুম্বী উর্দ্ধগতি, মূল্যস্ফীতি, গ্যাস-বিদুৎ-পানির মূল্য বৃদ্ধি, বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি, যাতায়াত ভাড়া-চিকিৎসা খরচ বৃদ্ধি সব কিছু মিলিয়ে দেশের ৪০ লক্ষ গার্মেন্টস শ্রমিকের মুজুরী বৃদ্ধি আজ সময়ের অ-পরিহার্য দাবী। শ্রমিকদের যৌক্তিক মজুরি নির্ধারন করা অত্যন্ত জরুরী হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে সরকারী কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং নতুন করে বেতন বৃদ্ধির জন্য আলোচনা চলছে। অন্যান্য শিল্প সেক্টরের শ্রমিকদেরও মজুরী বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু দুঃভাগ্য জনক যে দেশের ৮৩% বৈদেশীক মূদ্রা অজর্নকারী গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরী আজও বৃদ্ধি করা হয়নি।

বাংলাদেশের প্রচলিত শ্রম আইনের ধারা ১৩৯ (৬) অনুযায়ী প্রতি ৫ বছর পর পর মজুরী পুনঃনির্ধারনের কথা। এই শ্রম আইনেরই অন্য জায়গায় উল্লেখ আছে যে, মজুরী নির্ধারনের ৩ বছর পার হওয়ার পর বিশেষ অবস্থা বিবেচনায় সরকার মজুরী পুনঃনির্ধারন করতে পারেন। ২০১৮ সালের পর দীর্ঘ ৪ বছর পার হলেও গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরী বৃদ্ধি করা হয় নাই, এমনকি নতুন করে মজুরী নির্ধারনের কোন উদ্যোগও গ্রহন করা হয় নাই।

কর্মসূচীতে উল্লেখ করা হয় যে, ইতিমধ্যে শ্রম প্রতিমন্ত্রী, শ্রম সচিব এবং সংশ্লিট অন্যদের মজুরী বোর্ড গঠনের জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোন উদ্যোগ আজ পর্যন্ত নেয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে গার্মেন্টস শ্রমিকেরা শ্রম মন্ত্রনালয় ঘেরাও এবং স্বারক লিপি দেয়ার কর্মসূচী গ্রহন করতে হয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে দেশের ৪০ লক্ষ গার্মেন্টস শ্রমিকের মজুরী বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহন হিসাবে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য মজুরী বোর্ড গঠন করার জোর দাবী জানান।

পোস্ট সম্পাদনা : রিয়াদ হোসেন, সর্বশেষ- ০৬.০১.২০২৩, ৪:৫৭ পিএম