NATIONAL GARMENT WORKERS FEDERATION (NGWF)


কোরিয়ান মালিকানাধীন হেসং কর্পোরেশন লিঃ ৪র্থ বারের মত বে-আইনীভাবে লে-অফ ঘোষণা করার প্রতিবাদ এবং কারখানা খুলে দেয়ার দাবীতে লাল পতাকাসহ শ্রম মন্ত্রণালয় ঘেরাও ও স্মারকলিপি পেশ

কোরিয়ান মালিকানাধীন হেসং কর্পোরেশন লিঃ ৪র্থ বারের মত বে-আইনীভাবে লে-অফ ঘোষণা করার প্রতিবাদ এবং কারখানা খুলে দেয়ার দাবীতে  লাল পতাকাসহ শ্রম মন্ত্রণালয় ঘেরাও ও স্মারকলিপি পেশ

কোরিয়ান মালিকানাধীন হেসং কর্পোরেশন লিঃ ৪র্থ বারের মত বে-আইনীভাবে লে-অফ ঘোষণা করার প্রতিবাদ এবং কারখানা খুলে দেয়ার দাবীতে
লাল পতাকাসহ শ্রম মন্ত্রণালয় ঘেরাও ও স্মারকলিপি পেশ

কোরিয়ান মালিকানাধীন হেসং কর্পোরেশন লিঃ ৪র্থ বারের মত বে-আইনীভাবে লে-অফ ঘোষণা করার প্রতিবাদ এবং কারখানা খুলে দেয়ার দাবীতে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে আজ ২৬ নভেম্বর ২০১৭ সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাব এর সামনে সমাবেশ ও লাল পতাকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
ফেডারেশনের সভাপতি জনাব আমিরুল হক আমিন এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেনঃ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মিসেস আরিফা আক্তার, কেন্দ্রীয় নেতা ফারুক খান, রফিকুল ইসলাম রফিক, ফরিদুল ইসলাম এবং হেসং এর শ্রমিক ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানাধীন হেসং কর্পোরেশন লিঃ কোরিয়ান এই মালিক তার কারখানার বিল্ডিং এর নিরাপত্তা মূলক সার্টিফিকেট জাল করে দাখিল করায় একর্ড এবং বায়াররা উক্ত কারখানার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে।
কোরিয়ান মালিক ৪র্থ বারের মত কারখানা বে-আইনীভাবে দেড় মাসের জন্য লে-অফ ঘোষনা করায় ১৮০০ শ্রমিক দিশেহারা, বেকার এবং চোখে অন্ধকার দেখছে।
এই প্রক্রিয়ায় কোরিয়ার এই মালিক গত ১ বছরে ৮ হাজার শ্রমিকের মধ্যে ৬ হাজার ২শত শ্রমিককে আইনানুগ ক্ষতিপুরণ ছাড়াই নানা ছলচাতুরি করে আগেই চাকুরী হারা করেছে, সর্বশেষ ১৮০০ জন শ্রমিককে একই প্রক্রিয়ায় চাকুরী হারা করতে চাচ্ছে কোরিয়ার এই মালিক।
এর প্রেক্ষিতে গত ২০ জুন ২০১৭ ইং তারিখ বিজিএমইএ এবং কলকারখানা অধিদপ্তর ঘেরাও কর্মসুচী পালন করার বিজিএমইএ ও কলকারখানা অধিদপ্তর কারখানা কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে ২১ জুন ২০১৭ ইং তারিখ বিকেল ৪ টায় কারখানায় শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ভাতা ও ঈদ বোনাস দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।
২১ জুন শ্রমিকরা কারখানার গেটে বেতন ভাতা এবং ঈদ বোনাস আনতে গেলে মালিকের ভাড়াটিয়া মাস্তান এবং ইন্ডাষ্ট্রিয়াল পুলিশ দিয়ে মারধোর করে তাড়িয়ে দেয়।
২২ জুন কারখানার গেটে নোটিশ টানিয়ে দেয় যে, আগামী ৪ জুলাই শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ভাতা ও আইনানুগ ক্ষতিপুরণ পরিশোধ করা হবে।
৪ জুলাই শ্রমিকরা আবারও উপস্থিত হলে আরো একটি নোটিশ টানিয়ে দেওয়া হয় সেখানে উল্লেখ থাকে যে, রানিং শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করার পরে ২১৮ জন শ্রমিকের বেতন ভাতা পরিশোধের তারিখ জানানো হবে।
২১৮ জন শ্রমিকরা কোন আশ্বাস না পেয়ে ৮ জুলাই বিজিএমইএ ভবনের সামনে অবস্থান নেয়ার পর বিজিএমইএ ও কলকারখানা অধিদপ্তর ১৬ জুলাই ২০১৭ ইং তারিখে কারখানায় একটি আলোচনা করার সময় নির্ধারন করে।
শ্রমিকরা বকেয়া বেতন ভাতা ও আইনানুগ পাওনাদি পরিশোধের দাবীতে কারখানার সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচীতে কারখানার মালিক এর মদদে বহিরাগত মাস্তান দিয়ে গত ১৬ আগষ্ট ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ ১৬ জনকে গুরুত্বর ভাবে আহত করে।
উল্লেখ্য যে, উক্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য গত ১৭ .০৮. ২০১৭ এবং ২০.০৮.১৭, বিজিএমইএ ও কলকারখানা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়। ২০.০৮.২০১৭ ইং তারিখ প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়, স্বারাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাণিজ্যমন্ত্রণালয় বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। ২১.০৮.১৭, ইং তারিখ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রী, স্বারাষ্ট্র মন্ত্রী এবং দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। ১৯.০৯.২০১৭ ইং তারিখ মাননীয় সচিব শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর এবং বিজিএমইএতে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়।বক্তারা অবিলম্বে বে-আইনীভাবে বন্ধ ঘোষিত হেসং কর্পোরেশন খুলে দেয়া অথবা সকল শ্রমিকদের আইনানুগ পাওনা পাওনাদি পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য সরকার ও বিজিএমইএর প্রতি জোর দাবী জানান।

 

 

 

ধন্যবাদান্তে-

আমিরুল হক্ আমিন
সভাপতি, ০১৭৩১২০১৩০২