NATIONAL GARMENT WORKERS FEDERATION (NGWF)


প্রধান মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রী, স্বরাষ্ট মন্ত্রী এবং শ্রম মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদ সম্মেলন

প্রধান মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রী, স্বরাষ্ট মন্ত্রী এবং শ্রম মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদ সম্মেলন

কারখানার নিরাপত্তার সার্টিফিকেট জালকারি কোরিয়ান হেসং গার্মেন্টস মালিকের ভাড়াটে মাস্তান দিয়ে ১৩ জন নেতা কর্মী এবং শ্রমিকদের নির্মম ভাবে আহত করা এবং কালিয়াকৈর থানা কর্তৃক মামলা গ্রহণ না করায় মানণীয় প্রধান মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রী, স্বরাষ্ট মন্ত্রী এবং শ্রম মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে আজ  ২১ আগষ্ট, সোমবার, বেলা ১২টায় তোপখানা রোডস্থ  শহীদ আসাদ মিলনায়তন  সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । সংবাদ সম্মেলনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীবর্গ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি পদক্ষেপসমুহ গ্রহণ করার দাবী জানায়।কারখানার নিরাপত্তার সার্টিফিকেট জালকারি কোরিয়ান হেসং গার্মেন্টস মালিকের ভাড়াটে মাস্তান দিয়ে ১৩ জন নেতা কর্মী এবং শ্রমিকদের নির্মম ভাবে আহত করা এবং কালিয়াকৈর থানা কর্তৃক মামলা গ্রহণ না করায় মানণীয় প্রধান মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রী, স্বরাষ্ট মন্ত্রী এবং শ্রম মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে আজ  ২১ আগষ্ট, সোমবার, বেলা ১২টায় তোপখানা রোডস্থ  শহীদ আসাদ মিলনায়তন  সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । সংবাদ সম্মেলনে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীবর্গ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি পদক্ষেপসমুহ গ্রহণ করার দাবী জানায়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন: জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি জনাব আমিরুল হক ্আমিন।   সংহতি অতিথি : ইন্ডাষ্ট্রিঅল বাংলাদেশ কাউন্সিল এর অর্থ সম্পাদক  বাংলাদেশ বিল্পবী গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি জনাব সালাউদ্দিন স্বপন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সমন্বয়কারী এম দেলোয়ার হোসেন। আরো উপস্থিত ছিলেন: ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মিসেস আরিফা আক্তার, কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ ফারুক খান, মিস শাফিয়া, মোঃ ফরিদুল ইসলাম, আলেয়া বেগম, মোঃ কবির হোসেন, হেসং এর শ্রমিক মোঃ রফিক, লাকী, সেলিনা ও সামসুন নাহর প্রমূখ।সংহতি জ্ঞাপন করেন : সম্মলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মমতাজ বেগম।সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয় যে,  হেসং কর্পোরেশন বিডি লিঃ যেখানে ৬০০০ শ্রমিক কাজ করতো, কোরিয়ান এই মালিক তার কারখানার বিল্ডিং এর নিরাপত্তা মূলক সার্টিফিকেট জাল করে দাখিল করায় একর্ড এবং বায়াররা সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। ৪ হাজার শ্রমিককে নানা ছলচাতুরি করে আগেই বিদায় করেছে মালিক পক্ষ। ২১৮ জন শ্রমিককে মিথ্যা অজুহাত দিয়ে ৪ এপ্রিল থেকে সাসপেন্ড এবং শোকজ দিয়ে এখনও পর্যন্ত ঝুলিয়ে রেখেছে। ৬ বার সমঝোতা করেও টাকা প্রদান করেনি। চুক্তি অনুযায়ী  পাওনাদি পরিশোধ না করায় শ্রমিকরা গত ১৬ আগষ্ট এই ২১৮ জন শ্রমিকের এপ্রিল, মে ও জুন ২০১৭ মাসের বকেয়া বেতন ভাতা ও আইনানুগ পাওনাদি পরিশোধের দাবীতে কারখানার সামনে শান্তিপূর্ন অবস্থান কর্মসূচী পালন করতে থাকে। কারখানার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে জিএম মাহে আলম, এপিএম জামাল, পিএম বাদল, সুপারভাইজার আনোয়ার, কবির, ইউসুফ, প্রোডাকশন ম্যানেজার রুহুল, এইচ আর এডমিন কমপ্লায়েন্স আবদুল্লাহ, কাইয়ুম, কিউসি ম্যানেজার সোহেল, ডিষ্ট্রবিউটার আরিফ, আইরন ইনচার্জ আবুল হোসেন, টেকনিশিয়াল পয়ারুল এবং নওশের, আইরন ইনচার্জ মাসুদ, এবং ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী হুমায়ন ও জসিম মোল্লা, বাদশা এদের হামলায় জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মিসেস আরিফা আক্তার, সহ সভাপতি মিস শাফিয়া পারভীন, সহ সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, অরবিন্দু ব্যাপারী বিন্দু, আব্দুল জলিল এবং স্থানীয় কর্মী আবুল কালাম, লাকী, সেলিনা, সামসুন নাহার, মোঃ রানা, আব্দুল হালিম, মামুন, শাহা আলম, সুজন, মোস্তফাসহ ১৬ জনকে অতর্কিত হামলা চালিয়ে নির্মম ভাবে আহত করে। কালিয়কৈর থানার পুলিশ হামলা না ঠেকিয়ে বরং হামলাকারীদের সহযোগিতা করে, আহত শ্রমিকেরা ১৬ আগষ্ট বিকাল ৩টা হইতে রাত ১২টা পর্যন্ত থানায় অবস্থান করলেও মামলা গ্রহণ করেনি, ২০ আগষ্ট হাসপাতাল থেকে রিলিজ হওয়ার পর থানায় গেলেও মামলা গ্রহণ করা হয়নি বরং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব রফিকুল ইসলাম বলেন কোন সংগঠনের কোন ব্যক্তি হামলার শিকার হলে তারা বাদি হয়ে কোন মামলা করতে পারে না।

সংবাদ সম্মলনে নিম্ন লিখিত দাবী সমূহ তুলে ধরা হয় :-
১. কারখানার মালিক ইয়াংহি যেন বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যেতে না পারে তার জন্য প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
২. হামলাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
৩. সকল আহত শ্রমিকদের চিকিৎসার ব্যায়ভার কারখানা কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে।
৪. ২১৮ জন শ্রমিকের বকেয়া বেতনসহ কাজে যোগদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. কর্মরত শ্রমিকদের যথা সময় বেতন পরিশোধ করতে হবে।
৬. ঝুঁকিপূর্ণ কারখানাকে ঝুঁকি মুক্ত করতে হবে।
৭. কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উদ্ধত্বপূর্ন, শ্রমিক এবং নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের নিয়ম নীতি বিরোধী আচরণের বিষয়ে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

 

আমিরুল হক্ আমিন
সভাপতি,
মোবাইলঃ ০১৭৩১-২০১৩০২